• সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
শিরোনাম:
মেসির ভাগ্য নির্ধারণ হবে আজ বাংলাদেশে নৌবাহিনী কলেজ, চট্টগ্রামে জাতীয় শোক দিবস উদযাপন ধর্মপাশায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছে আওয়ামী লীগের একাংশ ধর্মপাশায় জেলা ছাত্রলীগ নেতার করোনা মুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল করেছে উপজেলা ছত্রলীগ ধর্মপাশা উপজেলা সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদের সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদের সকল শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা ধর্মপাশার মধ্যনগরে ১৫০টি বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণে হায়দার চৌধুরী লিটন নবীনগরে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে স্বপ্নজয়ী সংগঠন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ,, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার জয়শ্রী ইউনিয়নে বন্যার্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৫ নতুন করে আক্রান্ত ৩০০৯ জন

চট্টগ্রাম ছেড়ে গ্রাম মুখি হয়ে পরছে মানুষ জুলছে টু-লেট

Somoy News71 / ৪২ সময় দর্শন:
আপডেট: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

চট্টগ্রাম শহরের মোড়ে মোড়ে এখন ঝুলছে ‘টু-লেট’ নোটিশ। কেউ বাসা ভাড়া দেওয়ার নোটিশ দিয়েছেন। কেউ-বা দোকানঘর ভাড়া দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগে এমন নোটিশ সংশ্নিষ্ট বাসা বা দোকানের ওপর ঝোলানো হতো। কিন্তু এখন শহরের মোড়ে মোড়ে ঝোলানো হচ্ছে টু-লেট। আবাসিক এলাকার টু-লেট গলির মুখেও ঝোলাচ্ছেন বাড়ির মালিকরা। চাকরী হারিয়ে অথবা চাকরী ছেড়ে গ্রামমুখী হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।

দেশের একটি দৈনিকেও এমন খবর প্রকাশ পায়। দৈনিকটিতে দাবি করা হয়, গ্রিনভিউ আবাসিক এলাকার শতাধিক বাসার মধ্যে এখন ৩০ শতাংশই খালি বলে জানিয়েছেন সমিতির নেতারা। শ্যামলী আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখেও টু-লেট নোটিশ আছে অন্তত দুই ডজন। সিডিএ আবাসিক এলাকার বিভিন্ন লেনে ঝুলতে দেখা গেছে শত শত ‘টু-লেট’। মা’র্কে’টে মা’র্কে’টে ঝুলতে দেখা গেছে দোকান বিক্রি কিংবা খালি হওয়ার নোটিশ। লাকি প্লাজার বিভিন্ন তলায় এমন নোটিশ আছে অর্ধশত। সিঙ্গাপুর-ব্যাংকক মা’র্কেট, সেন্ট্রাল প্লাজা ও আখতারুজ্জামান সেন্টারে এমন টু-লেট ও ক্রয়-বিক্রয়ের নোটিশ আছে শতাধিক। সেই দৈনিককে চাকরি হারিয়ে শহর ছাড়তে যাওয়া আফসানা বেগম বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই চাকরি হারিয়েছি। দুই সন্তান এখানকার স্কুলে পড়ে। কিন্তু আর এক সপ্তাহও চট্টগ্রামে থাকার মতো অবস্থা নেই আমা’র। তাই ঈদের আগেই একেবারে ছেড়ে দেবো বাসা। ফিরে যাব গ্রামে।’

হালিশহর এলাকার বাসিন্দা বয়োবৃদ্ধ হেফাজত মিয়াও ছাড়ছেন শহর। কারণ জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সাত সদস্যের পরিবার আমা’র। একমাত্র ছে’লে করো’না উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছে মাসখানেক আগে। সে যা আয় করত তা দিয়েই চলতাম আম’রা। কিন্তু এখন আর বাসা ভাড়া দেওয়ার মতো সাম’র্থ্য নেই। তাই সবাইকে নিয়ে গ্রামে চলে যাব এই মাসের মধ্যে।’


এই বিভাগের আরও খবর