ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নাছিরাবাদ  আলি হোসেন (৩২) নামে নিরেহ এক অটুরিক্সা চালক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে দলবল নিয়ে পিটানোর অভিযোগ উঠেছে এলাকার একদল সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। এসময় নিরেহ আলি হোসেন মুখে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে চারটি দাঁত ফেলে দিয়েছে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের সুমন মিয়া,সুহেল মিয়া,মুর্শিদ মিয়া ও আওয়াল মিয়া নামে ১৫-২০ জনের একটি দল। সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাহেবনগর গ্রামে গত ৩ জুন বুধবার গ্রাম্য অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার নাছিরাবাদ গ্রামে সাহেবনগর গ্রামের ওই সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িয়ে নিরেহ রিক্সা চালক আলি হোসেনের উপর হামলা চালায় তারা। পুলিশ টহলরত অবস্থায় হামলার বিষয়ে খবর পেয়ে নাছিরাবাদ গ্রামের ঘটনাস্থল থেকে আলি হোসেনকে আহত অবস্থা উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ আসার খবর পেলে হামলাকারিরা পালিয়ে যায়।

পরে তার পরিবারের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় নাছিরাবাদ গ্রামের একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। এসময় হামলায় আলি হোসেনের মুখের চারটি দাত ভেঙ্গে যায় বলে জানান তার পরিবারের লোকজন। এঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অহত আলি হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম জানান, আমার স্বামী কে হত্যার উদ্দেশ্যে দুই টা অটু ও একটি মাইক্রবাস নিয়ে সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীর উপর হামলা চালায়।

আমার ডাকা ডাকিতে এলাকার মানুষ ছুটে আসে এবং তারা পুলিশ কে খবরদিলে পুলিশ আমার স্বামীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করে পুলিশ। তারা আবারো হামলা ও লোটপাট চালাতে আমাদের বাড়িতে আসব বলে হুমকি দিয়ে গেছেন। আহত আলি হোসেন জানান,আমি গরিব মানুষ। ঝগড়া ও দলাদলিতে আমি কখনোই যাই না।তবু আমাকে হত্যা ও আমাদের বাড়ি ঘরে লোটপাট চালানোর উদ্দেশ্যে তারা আমার উপর এই হামলা চালিয়েছে।

এঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী সুমন মিয়া,সুহেল মিয়া,মুর্শিদ মিয়া ও আওয়াল মিয়া সহ বেশ কয়েক জনের নামে আমি নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করবো। নাছিরাবার ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান জালাল বলেন,আরেক গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনায় আমার গ্রামের যুবকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে।এটা সত্যি দু:খজন।